• আজ বুধবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং ; ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ; ৪ঠা রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী
  • এইচএসসি ভর্তি, পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে কলেজপাড়া, যশোরের প্রাইভেট কলেজগুলোতে লোভনীয় অফার

    ফাস্ট বিডিনিউজ, সাহরিয়ার রাগিব ●

    student exam in class education

    যশোর অফিস ● এইচএসসির ভর্তি কার্যক্রমে যশোর শহরজুড়ে রং-বেরংয়ের পোস্টার-ব্যানার ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে লোভনীয় অফার। ভর্তি ও শিক্ষা উপকরণ ফ্রি, শিক্ষা বৃত্তি, বেতন ফ্রি সহ নানান অফারে ভর্তি চলছে যশোরের প্রাইভেট কলেজগুলোতে। আর একাদশ শ্রেণীতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কে নিজেদের কলেজে আকৃষ্ট করতে এ ধরনের বানিজ্যিক বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন পন’া অবলম্বন করছে কলেজ কতৃপক্ষ। শুধু ভর্তি ফি-ই মওকুফ নয় সারাবছর বিনাবেতনে পড়ার অফার ও দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী ভর্তি করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এভাবেই বিভিন্ন অফার এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে আকৃষ্ট করে তুলছে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই শহরের প্রত্যেকটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হয় ভর্তির তোরজোর। গ্রামাঞ্চলের মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানে হানা দেয় এসব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক প্রতিনিধিরা। ওই সূত্র আরো জানায়, চলতি শিক্ষাবর্ষে যশোর গর্ভমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজ কে সরকারি কলেজে উন্নীত করা হয়। এখানেও বাণিজ্য বিভাগের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। এসব কলেজে অনলাইনে ভর্তি করার কথা থাকলেও অনেকে সরাসরি শিক্ষার্থী ভর্তি করছেন।
    শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানগুলো অভিভাবকদের দৃষ্টি আকষর্ণে শহরে তোরন নির্মান ও ব্যানার-ফেস্টুন টাঙিয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষার্থী এবার ১০ টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। নানা ধরনের সুযোগ রাখা হলেও জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ যশোর সরকারি এম এম কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ হওয়ায় তারা অপর কলেজগুলোর তালিকায় কোনটিকে রাখবে এনিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব। যশোরের প্রবীন কয়েকজন শিক্ষাবিদদের সাথে সাক্ষাতকারে তারা ফাস্ট বিডি নিউজকে জানিয়েছে যে, প্রতিযোগীতা হলে ভাল আর বর্তমানে প্রতিযোগীতার এই যুগে সব কলেজগুলোই চাইবে তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে। তবে অভিভাবকদের যাচাই-বাচাই করে সন্তানদেরকে ভর্তি করাতে হবে। এটা একমাত্র তাদের একান্ত সিদ্ধান্ত। এখানে কারো হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। তবে এসব প্রতিষ্ঠান যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক, নিয়মিত ক্লাস, ও সময়মত পরীক্ষা নিতে পারলে ভালো করতে পারবে বলে তারা মনে করেন। এক্ষেত্রে অফারের দিকে না তাকিয়ে প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষ, ক্যাম্পাস ও লেখাপড়ার মান আগে যাচাই-বাচাই করতে হবে।

    Close