• আজ সোমবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং ; ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ; ১২ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী
  • যশোর-৩ এর বিএনপির প্রার্থী অমিতের ভোট বাতিলের দাবি

    ফাস্ট বিডিনিউজ ২৪ ●

    যশোর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ৩০ ডিসেম্বরের ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেছেন। সোমবার বিকেলে তিনি জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে এই মর্মে আবেদন করেন।

    আবেদনে ধানের শীষের প্রার্থী অমিত সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তিনি বলছেন, এই সব অনিয়মের কারণে নির্বাচনে জনমতের প্রতিফলন ঘটেনি। সেই কারণে এই নির্বাচন বাতিলযোগ্য।

    অমিতের অভিযোগ, যশোর সেনানিবাস এলাকার কেন্দ্রগুলো ছাড়া অন্য সব কেন্দ্রে ২৯ তারিখ দিনগত রাতে শাসক দলের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহযোগিতায় ৪০-৫০ ভাগ ভোট কেটে নেয়। অধিকাংশ কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কোথাও কোথাও এজেন্ট ঢুকলেও জোর করে তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারেননি। অনেক ভোটারকে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছে। ভোটাররা ভোট দিতে না পারলেও জাল ভোটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের হার ৭৫ ভাগ দেখানো হয়েছে।

    অমিতের অভিযোগ, ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট না থাকলেও অনেক কেন্দ্রে নৌকার পোলিং এজেন্টদের আগেই নির্ধারিত ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে নেওয়া হয়েছে; যা বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়া অনেক কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা জাল প্রদানের সুবিধার্থে আগে থেকেই ব্যালটের পেছনে সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে রাখেন। দুপুর একটার পরে অনেক কেন্দ্রে ব্যালট পেপার শেষ হয়ে গেছে বলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোটারদের ফেরত পাঠিয়ে দেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, ২৫ থেকে ২৯ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত ধানের শীষের কর্মী-সমর্থক-এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি হামলা করা হয়েছে। ভাঙচুর, লুটতরাজ, বোমা বিস্ফোরণ, গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটিয়েছে সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা। ২৯ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে বোমা ফাটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে ভয়-ভীতি দেখানো হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও এসবের কোনো প্রতিকার মেলেনি।

    এসব কারণে ভোট বাতিল ঘোষণা করে পুনর্নির্বাচনের আবেদন করেন অমিত।

    Close