রমজানের রোজা আল্লাহ তা’য়ালার অশেষ নিয়ামত। রোজা রাখার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন রয়েছে। তেমনই রোজা ভঙ্গেরও কিছু কারণ রয়েছে। কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে রোজা ভাঙ্গে তাহলে তার জন্য শুধুমাত্র কাযা আদায় করলে হবে না কাফফারাও আদায় করতে হবে। এর জন্য একটানা ৬০টি রোজা বিরতিহীন ভাবে রাখতে হবে। আর যদি কোনোদিন বাদ পড়ে যায় তবে আবার শুরু থেকে আদায় করতে হবে। তবে যদি অসুস্থতার কারণে রোজা রাখা সম্ভব না হয় তাহলে মিসকিনদের খাবার খাইয়ে দিতে হবে।

রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহ:

১. ইচ্ছাকৃত খাবার খাওয়া বা পান করা

কেউ যদি ইচ্ছা করে কোনও খাবার খায় বা পান করে তাহলে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। তবে যদি ভুল করে কিছু খেয়ে ফেলে তাহলে তার রোজা ভাঙ্গবে না।

২. দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রী সহবাস করা

রোজা রেখে কেউ যদি সহবাসে লিপ্ত হয় এবং তাদের বীর্যপাত হয় তাহলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।

৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা

কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করে অর্থাৎ গলায় আঙ্গুল দিয়ে বা অন্য কোন ভাবে বমি করে তাহলে তার তার রোজা ভেঙ্গে যাবে।

৪. হস্তমৈথুন করা

হস্তমৈথুন করা একটি কবিরা গুনাহ। অনেক যুবকের এতে আসক্তি রয়েছে। কেউ যদি রোজা রেখে হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত ঘটায় তাহলে তার তার রোজা ভেঙ্গে যাবে।

৫. খাদ্যের বিকল্প ইনজেকশন বা স্যালাইন গ্রহন করলে

ঐ সকল ইনজেকশনসমূহ যেগুলো শরীরে পুষ্টি যোগায় কিংবা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে যে শক্তি অর্জিত হয় এসব ইনজেকশন গ্রহন করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। একছাড়া রোগীকে রগ দিয়ে যে স্যালাইন পুশ করা হয় এটি রোযা ভঙ্গ করবে। কেননা এটি খাদ্য দ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত। (কারণ এর মধ্যে লবণ ও তরল রয়েছে) যা পেটে প্রবেশ করবে।

আরও পড়ুন যে কাজগুলো করলে রোজা ভাঙ্গবে না

৬. শিঙ্গা লাগানো

রাসূল (সঃ) শিঙ্গা লাগাতেন। শিঙ্গা হচ্ছে এক ধরণের কাপ লাগান যেটা শরীরে লাগালে শরীরের দূষিত রক্ত বের হয়ে যায় আর এতে করে দেহের ব্যাথা দূর হয়। এটা করলে যদি শরীর থেকে প্রায় এক কাপ পরিমান রক্ত বের হরে আসে তাহলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।

৭. ধূমপান করা

রোজা রেখে ধূমপান করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজা রেখে কোনোরকম ধূমপান করা যাবে না।

ফাস্ট বিডিনিউজ ২৪/এআইএফ