• আজ বৃহস্পতিবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং ; ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ; ৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী
  • সংবিধান মানি কিন্তু আমি ভিআইপি

    জামিল আহম্মেদ মুকুল ● 

    jamil mukul 0

    কাঁচা মাংস ভক্ষণকারী এস্কিমোরা কারো উপর বেশি রুষ্ঠ হলে তাকে ‘ সাহেব ‘ বলে গালি দেয়। ‘ সাহেব ‘ শব্দটি তাদের নিকট ঘৃণাবাচক শব্দ। বাংলা ভাষাভাষীদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা আরো একধাপ এগিয়ে বাঙালিরা এর সাথে ‘ বাচ্চা ‘ শব্দটি জুড়ে দেয়। বাংলা ভাষায় গালিগালাজের ভান্ডার বেশ সমৃদ্ধ। সেই সুপ্রাচীন কাল থেকেই বাঙালি নানান বৈচিত্রময় শব্দ ব্যবহার করে ঘৃণা প্রকাশ করে থাকে। তবে প্রায় সকল শব্দই ধর্ম-বর্ণ, সম্প্রদায়-লিঙ্গে পক্ষপাত দুষ্ট। ৭১ সালের পর ‘রাজাকার ‘ শব্দটি গালি হিসাবে প্রচলন পেয়েছে। ৯০ এর দশক থেকে ‘মফিজ ‘ এবং অতি সম্প্রতি ‘ রোহিঙ্গা ‘ শব্দ এই ভন্ডারে যুক্ত হয়েছে যা খুবই আপত্তিকর। সাম্প্রতিক সময়ে নতুন একটি শব্দ এই ভান্ডারে যুক্ত হতে যাচ্ছে বলেই মনে হয়। শব্দটি হচ্ছে ‘ভিআইপি ‘।

    ভিআইপি শব্দটি সরাফতি শব্দ, উৎকট কূটনৈতিক গন্ধযুক্ত। সমগ্র পৃথিবীময় রাষ্ট্রযন্ত্রে এই শব্দটি একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দটির সাথে মর্যাদা-ক্ষমতা-নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত। দেশে হঠাৎ কী এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো যে, ভিনদেশি এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ শব্দকে আমজনতা ঘৃণা প্রকাশের উপযুক্ত শব্দ হিসাবে ভাবতে শুরু করলো ? ঘৃণার বিস্ফোরণ হঠাৎ ঘটেনি, দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্ব থেকেই এই ঘৃণার বীজ বলা ভাল বৃটিশ আমল থেকেই বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মনের গভীরে রোপিত হয়েছিল। ধীরে ধীরে সেই বীজ থেকে অঙ্কুরিত বৃক্ষ আজ বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে।
    ১৯৭১ সালে যে শোষনের বিরুদ্ধে ছিল এ বাংলার মানুষের সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের মূলে ছিল পাকিস্তানী শাসক শ্রেণীর পাশাপাশি সরাফতি বাইশ পরিবারের লুন্ঠন।

    পশ্চিম পাকিস্তানীদের সেই উচ্চ বংশীয় মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ আমরা দেখেছি সামাজিক-অর্থনৈতিক,রাজনৈতিক-ধর্মীয় সকল ক্ষেত্রেই। জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা শাসকশ্রেনীর শোষন আর অভিজাতদের লুন্ঠনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল বাঙালির। বঙ্গবন্ধু বাঙালির এই মনোভাব ভালমতোই আঁচ করতে পেরেছিলেন আর সেই জন্যই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আধা বুর্জুয়া আওয়ামী লীগের লাগাম টেনে ধরতে চেষ্টা করেছেন বারবার।

    আওয়ামী লীগ নামক দলটির কাঠামো ঠিক রেখে তা যখন আর সম্ভব হচ্ছিলনা তখনই তিনি সমাজের আশরাফ-আতরাফ ভেদাভেদ মুছে দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কৃষক-শ্রমিকের রাজ প্রতিষ্ঠার। নিজ দল বিলুপ্ত করে গঠন করলেন বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল)। তবুও শেষ রক্ষা হয়নি।পুঁজিপতি লুটেরাদের দখলে দেশ চলে গেছে ধীরে ধীরে।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৭বছর পর নতুন করে কিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্মের ভেতর থেকে। এমন একটি দেশের জন্যই কি জীবন দিয়েছিল আমাদের পূর্ব পুরুষেরা ? পাকিস্তানের পুঁজিপতি যে বাইশ পরিবারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযোগের অন্তছিলনা সেই দেশে এখন পুঁজিপতির সংখ্যা কত ? তাদের শ্রেণী চরিত্রই বা কি? কোন্ আলাউদ্দীনের চেরাগের পরসে এতো বিপুলপরিমাণ ভূঁইফোঁড় পুঁজিপতির আবির্ভাব ঘটেছে তার যথাযথ কারণ অনুসন্ধান ছাড়া ভিআইপি মর্যাদার অলিখিত দাবিদার এইসব তথাকথিত ভদ্রলোকদের বিরুদ্ধে সংস্কৃতির লড়াই চালানো প্রায় অসম্ভব। তাছাড়া দরিদ্রক্লিষ্ট এই দেশে কোটিপতির সংখ্যা নিরুপণের সময় বোধহয় এসে গেছে।

    ১৯৭১ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে ব্যাংক হিসাব ( বাংলাদেশ ব্যাংক) অনুযায়ি কোটিপতি ছিল দুইজন। এদের মধ্যে ঢাকার জহুরুল হক একজন। ৭৪ সালে দূর্ভিক্ষের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৫-এ।

    একটি দেশে দূর্ভিক্ষের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে এরই মধ্যে গুটিকয়েক মানুষ আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেল ! ২০১৬ সালে আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় মহান জাতীয় সংসদে হিসেব দিলেন এদেশে কোটিপতি ব্যাংক হিসাবধারির সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ২শত ৬৫ জন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ি ২০১১ সালে কোটিপতি ছিল ৭৮ হাজার ১শত ৫০ জন। ২০১২ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৯০ হাজার ৬ শত ৫৫জন,একবছরে প্রবৃদ্ধি ১২ হাজার ৫শত ৫জন (১৬%)। ২০১৩ সালে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৯৮ হাজার ৫শত ৯১জন। এ বছরে বেড়েছে ৭ হাজার ৯ শত৭৪জন (৮.৭৫%)।২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়াই ১লাখ ৮ হাজার ৯ শত ৭৪ জনে, ১৪ সালে বেড়েছে ১০ হাজার, ৩শত ৮৩জন (১০.৫৩%)। ২০১৫ সালে এসে ঠেকেছে ১লাখ ১৪ হাজার ২ শত ৬৫ জনে (৪.৫৩%)। ১১ সাল থেকে ১৫ সাল মাত্র পাঁচ বছরে কোটিপতি বেড়েছে ৩৬ হাজার ১শত ১৫জনে (৪৬.২১%) । প্রতিবছর গড় কোটিপতি বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ হাজার ২শত ৩০ জন করে। যা সমসাময়িক তৃতীয় বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

    vip

    বিশেষজ্ঞেগণের ধারণা এর বাইরে আরো দুইলাখ কোটিপতির অস্তিত্ব রয়েছে। বিগত দশ বছরে এদেশ থেকে ৬ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এক ২০১৪ সালেই শুধু ৭৩ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। উপরোক্ত সকল পরিসংখ্যান ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ২০১৮ সালে কোটিপতি কতোজন বেড়েছে তার সুনিদৃষ্ট পরিসংখ্যান নেই।

    আমরা যদি প্রশ্ন করি এদেশে কি ব্যাবসা-বাণিজ্যের এতোই অনুকুল পরিবেশ বিরাজমান যে আকাশচুম্বি মুনুফা অর্জন করা যায় ? উত্তর হবে ‘ না ‘। এদেশে কি বিশাল কোনো অর্থের খনি আছে যার থেকে অর্থ উত্তোলন করে হিসাবের পেছনে থাকা মানুষগুলো বনেদি বনে গেছে ? এরও উত্তর ‘ না ‘। এই দরিদ্রক্লিষ্ট দেশে আসলেই অর্থের খনি নেই। তবে অবৈধ্য পথে, শটকাট পথে কোটিপতি বনে যাওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ জারি আছে।

    সস্তা শ্রম, অবাধে শ্রম লুট, শেয়ার বাজার লুট, অবৈধ্য প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ নিয়ে হজম করে দেওয়া,আমদানি-রপ্তানি পন্যের মূল্য কম-বেশি দেখানো, সরকারি জলা-জমি দখল, বন-পাহাড়-নদী দখল, সিন্ডিকেট করে পন্যের বাড়তি মূনাফা পকেটস্থ করা, বড় বড় টেন্ডার হাতিয়ে নেওয়ার অনুকূল পরিবেশ বজায় আছে। এমন অনেক সেক্টর থেকে লুন্ঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক শ্রেণীর আতর আলীরা আশরাফের মর্যাদায় আসিন হতে চাচ্ছে। নিজেদের মত করে লুন্ঠন প্রক্রিয়া চালু রাখতে এরা নিজেদের আজ্ঞাবহ করে ফেলে সরকারি কর্মকর্তাদের।

    এদের পাহাড়সম কালোটাকা এরা বিনিয়োগ করে রাজনীতিতে, সংসদ নির্বাচনে, শিক্ষার বাণিজ্যিকরণে। নিজেদের তৈরীকৃত বিকৃত সংস্কৃতি প্রচার করতে এরা কিনে নেয় সংবাদকর্মী, বুদ্ধীজীবি, শিল্পী-সাহিত্যিক- সংস্কৃতিকর্মী। যারা বিক্রি হয় না তারা হয়ে যায় অস্পৃশ্য। এভাবেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এক শ্রেণীর মানুষ লুটেরা পুঁজিপতিতে পরিণত হয়েছে। এরা খাই এদেশে, আয় করে এদেশে, পাচার করে বিদেশে। এদের রক্ষার জন্য আছে আইন-সংসদ, সরকারি আমলা-আইনজীবী এবং উপযুক্ত পরিবেশ। অত্যান্ত দক্ষতার সাথে একদল লুটেরা কখনও সরকারের পকেট , কখনও জনগনের পকেট সাফাই করে চলেছে।

    সম্প্রতি চাউল এবং পিঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি তার জ্বলন্ত উদহারণ। চাউলের বাড়তি মূল্য দিতে গিয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষ পরিবার দরিদ্রসীমার নিচে নেমে গেছে। সরকারি-বেসরকারি লুটেরাদের কারসাজিতে গুটি কয়েক সিন্ডিকেট আমাদের ভাতের থালা থেকে শত শত কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এই সব লুটেরাদের সবাই ব্যাবসায়ী এমনটি ভাববার অবকাশ নেই। লুটের বখরা যায় রাজনীতিবিদ-সরকারি,বেসরকারি ব্যক্তিদের কাছেও। আমাদের টিভি চ্যানেলগুলো, সংবাদপত্রের বেশির ভাগ এই সব কালোটাকার মালিকদের দখলে।

    এই চ্যানেল গুলোতে কে ক্ষমতায় থাকবে আর কে যেতে চায় তা নিয়ে বিতর্ক চলে ঘন্টার পর ঘন্টা টক শো’র নামে। সাধারণ মানুষের জন্য সময় বরাদ্দ না থাকলেও বড়লোকের রান্নাঘরের জন্য সময় বরাদ্দ থাকে ঠিকই। ভূঁইফোঁড় এইসব বড়লোকেরা যে নষ্ট সংস্কৃতি বির্নিমাণ করেছে তারই প্রচার দেখি টিভি নাটকে। এদের নির্মিত সংস্কৃতি জাতিকে বোধবুদ্ধিহীন বনসাইতে পরিণত করতে চায়। এই বনসাই মানুষ শুধুই তাদের উৎপাদিত পন্যের ভোক্তা। কোমলমতি শিশুদেরকে এরা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শেখাই ‘ একা একা খেতে চাও,দরজা বন্ধ করে খাও ‘। অর্থাৎ অমানুষ হয়ে যাও তুমি সুখি থাকবে।

    এইসব উঠতি বড়লোকেরা ওডিয়া গাড়ীতে চলাফেরা করে, ফূর্তি করতে যায় দ্যা রেইন ট্রি’ মতো বিনোদন হোটেলে। মার্কেটিং করে মুম্বাই,কলকাতা নিদেন পক্ষে যমুনা ফিউচার পার্কে। সামান্য আড্ডা দিতে যায় KFC বা পিঁজা হাটে। কিছুদিন আগে আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলের কৃত্তিকলাপ আমরা দেখেছি, এরা আগে এক এসপি’র মেয়েকে দেখেছিলাম বাবা-মা কে হত্যা করতে এদের জন্য আইন সহায়তাকারীর অভাব হয় না।

    অল্প সংখ্যক লুটেরা ও তাদের দোসরদের কুরুচীপূর্ণ -বিভৎস-কুৎসিত ভোগবাদী জীবনের স্রোতের তলে সমগ্র দেশের মানুষ আজ অমর্যাদার, অসম্মানের জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। এরাই নানান ছলচাতুরি করে সমগ্র দেশবাসিকে বাধ্য করে নিন্মমানের জীবনযাত্রা নির্বাহে। পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে, ভোগবাদী সমাজে রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল অংশই এইসব লুটেরাদের সেবায় নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখে। তাই অনেক সময় দেখা যায় পুঁজিপতিদের মন রক্ষার্থে অলিখিত ভাবে রাষ্ট্র এগিয়ে আসে।
    রাষ্ট্রের সকল সম্পদ কুক্ষিগত করার পর ভিআইপি বা অভিজাতদের চোখ পড়েছে এবার জনগনের চলাচলের রাস্তার উপর। তাদের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য চাই যানজট মুক্ত রাস্তা।

    ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে চাইলেই যানজটমুক্ত রাস্তা পাওয়া সম্ভব নয়। তাই এদের অবদার ( অলিখিত) পূরণে অযাচিত ভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র এগিয়ে আসে। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ মন্ত্রীপরিষদে এপ্রস্তাব তোলা হয়েছে। আইনশৃংলা রক্ষাকারি বাহিনী,জরুরী সেবা এবং ভিআইপিদের জন্য স্বতন্ত্র লেনের প্রস্তাব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে যাচাই বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী বা জরুরী সেবা কথাটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে শ্রেফ আইওয়াশের জন্য।

    বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ এবং বসবাসের অযোগ্য শহর ঢাকার সেবা সংস্থা রাজউক, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা,ডেসা যখন জনগনের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে ব্যার্থ তখন সেগুলোর সেবার মান বৃদ্ধির চেষ্টা না করে সমস্যা আরো বৃদ্ধির প্রচেষ্টা কোনো মতেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্ষমতার শীর্ষে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা জনসেবার দিকে দৃষ্টি না দিলে জনগন যে ক্ষুব্ধ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১৭ কোটি মানুষের সেবার জন্য যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি-কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য- মন্ত্রী পোষা হয় উল্টো তাদের সেবায় এখন ১৭ কোটি মানুষ ব্যস্ত। গনমানুষের অর্থনীতিবিদ আনু মুহান্মদ স্যার যথার্থই বলেছেন, গালি দেবার দরকার হয় প্রায়ই,কিন্তু দিতে গিয়েও থেমে যেতে হয়।

    কেননা প্রচলিত গালির প্রায় সবই নারী,অন্যজাতি, অন্যধর্ম, শারীরিকভাবে ভিন্ন বর্ণ বিদ্বেষী। জুৎসই গালি খুজছি বহুদিন। ইদানিং মনে হচ্ছে একটা গালি তৈরী হবার পথে। উল্টোদিকে গাড়ি চালানো, সর্বজনের সম্পদ লোপাটকারী, জমি-নদী-খাল দখলকারী,ব্যাংক লুটকারী বাহাদুর কিছু গোষ্ঠি নিজেদের যে পরিচয় দিয়ে বুক ফুলিয়ে ভাসে সেটাই এখন তিরস্কারের যথার্থ সম্ভোধন হতে পারে। গালি হিসাবে এর ব্যবহারে আমার কোনো আপত্তি নেই। এটি হলো– ভিআইপি।

    লেখক  সম্পাদক, ফাস্ট বিডি নিউজ ২৪.কম
    jamilmukul365@gmail.com
    http://fastbdnews24.com
    Close