• আজ বুধবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং ; ১০ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ; ১৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী
  • স্টামফোর্ডে ‘এক্সিলেন্স ইন জার্নালিজম’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ফাস্ট বিডিনিউজ ২৪ ●

    ‘অতীত থেকে শিখি, ভবিষ্যতের ভিত গড়ি’ স্লোগানে ইত্তেফাকের ‘এক্সিলেন্স ইন জার্নালিজম’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে ইত্তেফাকের এই আয়োজনে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শতাধিক সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী অংশ নেন।

    গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় ধানমন্ডিস্থ স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    ইত্তেফাক এর সহকারী সম্পাদক মিনার মনসুরের লিখিত বক্তব্য ও সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক আন্দালিব রাশদী, দৈনিক কালের কণ্ঠ’র নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল,স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও এমিরেটাস প্রফেসর ড. এম ফিরোজ আহমেদ, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী আব্দুল মান্নান।

    আন্দালিব রাশদি বলেন, ৬৬ বছর ধরে একটি পত্রিকা টিকে থাকা সহজ বিষয় নয়। ইত্তেফাক এখনো জনপ্রিয়তার সঙ্গে টিকে আছে। ইত্তেফাক বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভূমিকা রেখেছে। ইত্তেফাকের ইতিহাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।
    যারা সাংবাদিকতা করতে চায় তাদের ইতিহাস জানতে হবে। সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের জন্য মানিক মিয়ার ইতিহাস জানা জরুরি। ইতিহাস জানার কোনো বিকল্প নেই।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকরা নানা বিশেষনে ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রীকে। কিন্তু অন্য দেশে সাংবাদিকেরা ‘মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার’ সম্বোধনেই প্রশ্ন করেন। এই জায়গাগুলো থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।

    দৈনিক কালের কণ্ঠ’র নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং মানিক মিয়া একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। ৬দফা দাবি বঙ্গবন্ধু উত্থাপন করেছিলেন, কিন্তু এই দাবি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। তৎকালীন স্বৈরাচার শাসকের হুমকিকে উপেক্ষা করে তিনি সংবাদ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের পক্ষে।

    স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও এমিরেটাস প্রফেসর ড. এম ফিরোজ আহমেদ ইত্তেফাকের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে ভূমিকা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, মুদ্রিত সংবাদ পত্রের দিন শেষ বলে শোনা গেলেও মুদ্রিত সংবাদপত্রের আবেদন খুব একটা কমেনি এখনও। ডিজিটাল দেশে সাংবাদিকদের তথ্য আদান-প্রদান এখন সহজ হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।

    স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী আব্দুল মান্নান বলেন, ইত্তেফাকের অতীত ইতিহাস ছিলো গৌরবজ্জল। বর্তমান প্রেক্ষাপটেও ইত্তেফাককে সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে।

    অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। অনুষ্ঠানে  সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    Close