• আজ বৃহস্পতিবার, ১৯শে জুলাই, ২০১৮ ইং ; ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ; ৫ই জ্বিলকদ, ১৪৩৯ হিজরী
  • আধুনিক প্রকাশনীর ছাপা সহীহ বুখারীর অনুবাদ ও টীকার পর্যালোচনা-পর্ব ৪

    ফাস্ট বিডিনিউজ ২৪ ●
    Madeena-3
    রিজওয়ান সালাফি ●  (বিষয় : তারাবীহর সালাত) : ——– উক্ত প্রকাশনী মা আয়েশা (রা:) বর্নিত হাদীসের টীকায় ২০ রাকআতের পক্ষে শঠতার আশ্রয় নিয়েছে । সেখানে কিছু অপ্রমানিত কথা উল্লেখ করা হয়েছে । যেমন বলা হয়েছে, ‘অধিকাংশ ওলামা ২০ রাকআতের মতকেই অগ্রগন্য বলেছেন এবং এতে ইজমা হয়েছে’ । এক লাইন পরে বলা হয়েছে, ‘ কিছু সংখ্যক আলেম বলেছেন, তারাবীহ ৮ রাকআত । তাদের দলীল হল আয়েশা (রা:) বর্নিত হাদীস । ২০ রাকআতের মত পোষনকারীরা এ হাদীসের অর্থ বলেন যে, আয়েশার বর্ননা তারাবীহ সম্পর্কে ছিল না বরং তাহাজ্জুদ সম্পর্কে’ । অত:পর সেই টীকায় জাল ও যঈফ বর্ননা মিশ্রিত মাওলানা মওদূদী এর বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে ।
    * পর্যালোচনা : ——————- এর বিস্তারিত জবাব আমার প্রফাইলের এই পোষ্টে দেয়া আছে – ‘তারাবীহর সালাত ৮ রাকআতই পড়তে হবে (৮ রাকআত তারাবীহর অকাট্য প্রমান)’ । * * আধুনিক প্রকাশনীর টীকায় মাওলানা মওদূদী (র:) এর বক্তব্য সংযোজন করে আয়েশা (রা:) কর্তৃক বর্নিত সহীহ বুখারীর হাদীসটির বিকৃতি ঘটানো হয়েছে । * কারন তিনিও সহীহ হাদীসকে অপব্যাখ্যার হীন মানসিকতা থেকে মুক্ত ছিলেন না । যা তারাবীহ সংক্রান্ত উনার আলোচনা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে ।
    * ওমর (রা:) এর যুগে তথাকথিত ২০ রাকআত তারাবীহ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘অত্যন্ত সহীহ সনদ’। * তিনি ওমর (রা:) এর ১১ রাকআতের নির্দেশসূচক হাদীসটি আড়ালে রেখে বলতে চেয়েছেন, রাসূল (স:) ৮ রাকআত পড়লেও ওমর (রা:) এবং অন্যান্য সাহাবীগন ২০ রাকআতই পড়েছেন । * এই কথার মাধ্যমে তিনি রাসূল (স:) এর চেয়ে ওমর (রা:) কেই সর্বোত্তম আদর্শের প্রবর্তক হিসেবে দেখছেন । * যেন রাসূল (স:) শরীয়তকে অসম্পূর্ন রেখে গিয়েছিলেন আর ওমর (রা:) তা সম্পূর্ন করেছেন (নাউযুবিল্লাহ)। (সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী, রাসায়েল ও মাসায়েল, ৩য় খন্ড, পৃ:২৮২-৮৬) *
    * উল্লেখ্য, সহীহ বুখারীর যে সমস্ত হাদীস মাযহাবী স্বর্থের বিরোধী সেখানেই এভাবে টীকার মাধ্যমে রাসূল (স:) এর হাদীসকে অস্বীকার কর হয়েছে ।
    (এই লেখার ভিন্ন মত ছাপা হবে)

    ফাস্ট বিডিনিউজ ২৪/ই ই

    Close