• আজ রবিবার, ২২শে জুলাই, ২০১৮ ইং ; ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ ; ৮ই জ্বিলকদ, ১৪৩৯ হিজরী
  • ‘ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি তৃণমূলের অনাস্থা’

    ছোটবেলায় মা আর মাতামহের মুখে বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনার মধ্য দিয়েই যার রাজনীতি করার অনুপ্রেরণা তিনি বর্তমান সময়ে ছাত্রলীগের আলোচিত নাম, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে যিনি নিজের মেধা, মনন, শ্রম, ত্যাগ, ধ্যান-জ্ঞান সবকিছু দিয়ে রাজনীতি করে আসছেন। ছাত্রদের অধিকারের প্রশ্নে তিনি সবসময় সোচ্চার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ’আইন’ পড়ার উদ্দেশ্যই ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করা। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও পরবর্তীতে হল শাখা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতৃত্ব প্রত্যাশী হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউনিট পরিচালনা করেছেন। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-সম্পাদক। বিগত ২৮তম জাতীয় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সভাপতি পদের অন্যতম যোগ্য দাবীদার হয়েও একদম শেষ মুহূর্তে বঞ্চিত হয়েছেন। এরপর বর্তমান কমিটিতে দায়িত্ব পালন করছেন ‘শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক’ হিসেবে। ছাত্রলীগের হয়ে নানা ইতিবাচক, মানবিক কাজ ও দৃষ্টান্তমূলক কর্মীবান্ধব তৎপরতার কারণে ইতিমধ্যেই তিনি পরিণত হয়েছেন তৃণমূলের আস্থার প্রতীকে। আসছে ২৯তম কাউন্সিলে ছাত্রলীগের সম্ভাব্য শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায় গণমাধ্যমে যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আসছে স্বভাবতই তাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। আসন্ন কাউন্সিল এবং ছাত্র রাজনীতির নানা বিষয় নিয়ে কথা বলতে তার মুখোমুখি হয় ফাস্ট বিডিনিউজ২৪। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- খালেদ সাইফুল্লাহ 

    rabbani edited

    ফাস্ট বিডিনিউজ: রাজনীতিতে আসার শুরুটা কিভাবে?

    গোলাম রাব্বানী: ছোট থেকেই বড় হয়েছি একটি রাজনৈতিক পরিবারে। মা ছিলেন ছাত্রলীগের কর্মী। ১৯৮১-৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন মাদারীপুরের সরকারী রাজৈর ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক। নানা ছিলেন রাজৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য, একনিষ্ঠ কর্মী। ছোট বেলায় নানাবাড়িতে বড় হবার সুবাদে নানার মুখ থেকে বঙ্গবন্ধুর অনেক গল্প শুনেছি, তাছাড়া বাংলা বুঝতে শেখার পর থেকেই মায়ের কাছে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, আর ছাত্রলীগ সম্পর্কে অনেক শুনেছি এবং তার কাছ থেকেই মূলত অনুপ্রেরণা পেয়েছি। পারিবারিক অনুপ্রেরণা থেকেই মূলত আমার রাজনীতিতে আসা। প্রচণ্ড ইচ্ছা থাকলেও, কলেজে রাজনীতি করার সুযোগ পাইনি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে সক্রিয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেয়ার সুযোগ পাই, রাজনীতি করার জন্যই ‘আইন’ বিভাগে ভর্তি হই।

    ফাস্ট বিডিনিউজ: ছাত্র রাজনীতির অতীত ও বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বলুন।

    গোলাম রাব্বানী: ছাত্র রাজনীতির যে সোনালী অতীত ছিল, কালের বিবর্তনে তা অনেকটাই ম্রিয়মান হয়ে গেছে। ইতিহাস ঘাটলে আমরা দেখতে পাই যে, সেই দেশ ভাগের সময় থেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং তার পরেও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের বিভিন্ন ঘটনা যেমন-৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ এর নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের জয়লাভ, ৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান, ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং তার পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ মঈনউদ্দীন-ফখরুদ্দীন সরকারের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধে সর্বাগ্রে ছাত্র রাজনীতি, বিশেষভাবে ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। মোট কথা, জাতির যেকোন ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রলীগ এগিয়ে এসেছে। ছাত্র রাজনীতি থেকে সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করে তারা শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলবে, তাদের ন্যায়সঙ্গত প্রয়োজনে এগিয়ে আসবে, বিপদেআপদে সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে। কিন্তু অতীতের সোনালী সময় থেকে আজকের ছাত্র রাজনীতি মানুষের এই আশা-আকাঙ্খার জায়গা থেকে কিছুটা হলেও পথ হারিয়েছে।

    Rabbani1

    ফাস্ট বিডিনিউজ: ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র সংগঠন। এতবড় ছাত্র সংগঠনের বৃহৎ একটি সম্পাদকমন্ডলী থাকা স্বত্ত্বেও সব ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কি শুধুমাত্র শীর্ষ দুই নেতৃত্বের হাতেই? সম্পাদকমন্ডলীর কাজের ক্ষেত্র কতটুকু আশানুরূপ?

    গোলাম রাব্বানী: মোটেও আশানুরূপ না। জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, ”রাজনীতি শুধু সভাপতি-সেক্রেটারিই করে না, অন্যরাও করে।” কিন্তু এখানে মানুষের তরে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করার জন্য সবচাইতে জরুরী যে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, সেটার পরিধি দিন দিন কমে আসছে। আমি সর্বশেষ দুইটি কমিটি দেখেছি, সেখানে সম্পাদকমন্ডলী ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ যারা থাকেন তারা যতটুকু সুযোগ পেয়েছে তার থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বর্তমান সভাপতি-সেক্রেটারির স্বেচ্ছাচারী মনোভাব স্পষ্টতই দৃষ্টিকটু। আমরা দেখছি সমস্ত দায়িত্ব, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব সবকিছু তাদের নিজেদের মধ্যে রাখার যে প্রবণতা এবং সেটার ফলে কাজ করার ক্ষেত্র ও স্বাধীনতা না পাওয়ায় সংগঠনের অভ্যন্তরে ব্যাপক অসন্তোষ, ‘চেন অফ কমান্ড’ দুর্বল হওয়া,সাংগঠনিক স্থবিরতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সকলের মধ্যে আস্থাহীনতা ও হতাশা সৃষ্টি করেছে। সবাইকে তার প্রতিভা বিকাশ ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু সেই সুযোগটা না পাবার ফলে সবার মধ্যেই অসন্তোষ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

    ফাস্ট বিডিনিউজ: নেত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এই মার্চেই তো কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ পিছিয়ে যাওয়াকে কিভাবে দেখছেন? কেউ কি এখনই কাউন্সিল হোক এটা চাচ্ছে না বলে মনে করছেন?

    গোলাম রাব্বানী: সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটির বয়স থাকে ২ বছর। বর্তমান কমিটি ইতিমধ্যে আড়াই বছর পার করেছেন। আমরা চাই, নতুন নেতৃত্ব আসার ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। কিন্তু যারা-ই ক্ষমতায় আসে, সেই লঙ্কার রাবণ হয়ে উঠতে চায়। বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার একটা অপপ্রয়াস দেখা যাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, শ্রদ্ধেয় ওবায়দুল কাদের স্যার বিগত ‘৬ জনুয়ারী’ প্রথমবার সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছেন এবং ‘৭ মার্চ’ তিনি নেত্রীর ইচ্ছার কথা পুনরায় নিশ্চিত করেছেন। মাঝের ২ মাসে বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে সম্মেলন করার কোন ধরনের ইচ্ছা বা লক্ষণ দেখা যায়নি। সম্মেলন করার লক্ষ্যে তারা কোন মিটিং করেনি, আমাদের কাউকে নিয়ে বসেনি। অর্থাৎ নেত্রীর ইচ্ছা বাস্তবায়নের কোন প্রয়াস তাদের মধ্যে দেখা যায়নি, যা অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও দু:খজনক।

    ফাস্ট বিডিনিউজ: তাহলে তো এক্ষেত্রে প্রশ্ন আসে নেত্রীর চাইতে ক্ষমতাবান কি আর কেউ আছে?

    গোলাম রাব্বানী: সেটা অবশ্যই না। আমরা সম্মেলন চেয়েছি নেত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য। আমরা জেনেছি সভাপতি-সেক্রেটারি নেত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তারা নেত্রীকে বলেছেন তাদের নাকি সম্মেলনের জন্য যথেষ্ঠ প্রস্তুতি নেই! প্রস্তুতি না নিলে থাকবে কোত্থেকে?? অথচ আমাদের সম্মানিত সভাপতি সোহাগ ভাই বলেছিলেন, আপা যখন চাইবেন তখনই সম্মেলন হবে। কিন্তু পরবর্তীতে তার কথার সাথে কাজের কোন মিল পাওয়া যায়নি, যেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া তারা দুজন বলেছেন, চাইলে ৭ দিনের মধ্যেই সম্মেলন করা সম্ভব। আমরা প্রাণপ্রিয় নেত্রীর পক্ষ থেকে সর্বশেষ ৩১ মার্চ সম্মেলনের যে দিকনির্দেশনা পেয়েছি, তার পর থেকে আর কোন নির্দেশনা পাইনি। ৮ই মার্চ সকাল ১১ ঘটিকায় ওবায়দুল কাদের স্যার মধুর ক্যান্টিনে এসে সকলকে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে বলে গিয়েছেন। এরপরই আমরা দেখলাম যে, তারা দু’জন কাদের স্যারের সাথে কোন আলাপ-আলোচনা না করেই গণভবনে গিয়েছেন। আমার কথা স্পষ্ট যে, আপা ব্যক্তি সোহাগ বা জাকিরকে কোন মেসেজ দেননি। তিনি মেসেজ দিয়েছেন পুরো ছাত্রলীগকে, তাই সেটা জানার অধিকার একজন তৃণমূলের কর্মী থেকে শুরু করে সবার আছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আপা তাদের ঠিক কি বলেছেন, তারা পরিষ্কারভাবে কিছু বলেননি। আপার বরাত দিয়ে শুধু বলেছেন, সম্মেলন হচ্ছে না। কিন্তু আপা কি মেসেজ দিয়েছেন, এই হচ্ছেনা বলতে কি আদৌ হবেনা বা হলে কবে হবে, সেটা আমাদের জানিয়ে দেওয়া হোক। এই বিভ্রান্তি সৃষ্টির ফলে নিজেদের মধ্যে যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে, সেটার দায় কিন্তু তাদের দুইজনকে নিতে হবে! তাদের এই ঘোষণার পরদিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তিনটি ছেলেকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে, যারা সম্মেলন চেয়েছিল। নেত্রীর ইচ্ছার সম্মেলন চেয়ে ভাইদের ক্ষমতার লোভের বলি হলো ছেলে তিনটি। এসবের দায় তারা কোনভাবেই এড়াতে পারে না!

    ফাস্ট বিডিনিউজ: বড় দলগুলোর কর্মসূচী বাস্তবায়ন ছাড়া ছাত্রলীগের নিজস্ব কী কী কর্মসূচী ঠিক এই মূহুর্তে চালু আছে?

    গোলাম রাব্বানী: ছাত্রদের অধিকারের জন্য, ছাত্রদের উন্নয়নের জন্য যারা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে চায় তারা মনমতো কাজ করতে পারেনি। সর্বক্ষেত্রে সভাপতি-সেক্রেটারির স্বেচ্ছাচারিতা এবং তাদের নিজস্ব মতামতের বাইরে অন্য কারো মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। এ কারণেই নিজেদের মধ্যে এই অসন্তোষ এবং নেত্রীকে বারবার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সবচাইতে বেশি দুঃখজনক যে জিনিসটা আমরা শুধুমাত্র এইবারই দেখেছি যে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী পর্যন্ত ফেসবুকে পাবলিক স্ট্যাটাস ও কমেন্টের মাধ্যমে শীর্ষ নেতৃত্বের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং তাদের প্রতি বারবার অনাস্থা প্রকাশ করেছে। যা সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেন অব কমান্ডের জন্য অশনিসংকেত!

    rabbanii1

    ফাস্ট বিডিনিউজ: ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার ব্যাপারে যাদের নাম বেশি শোনা যাচ্ছে তার মধ্যে প্রথম দিকেই আপনার নাম আসছে। এক্ষেত্রে আপনি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত কিনা…..

    গোলাম রাব্বানী: ছাত্রলীগের যেকোন পরিস্থিতিতে, যেকোন মূহুর্তে দায়িত্ব নিতে আমি সদা প্রস্তুত। গত কাউন্সিলে আমি প্রার্থী ছিলাম। এই কাউন্সিলে সে অর্থে আমি প্রার্থী না। আমি কেবল প্রিয় সংগঠনের জন্য কাজ করে যেতে চাই, ইতিবাচক কাজ করার পর্যাপ্ত সুযোগ চাই। যে সমস্ত ইতিবাচক কাজ করেছি, তা ইতোমধ্যে মিডিয়াতে এসেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে তৃণমূল ছাত্রলীগ ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌছেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সহযোগিতা পেলে হয়ত আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করতে পারতাম ছাত্রলীগের জন্য। আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে বলব যে, আমি বর্তমান শীর্ষ দুই নেতৃত্ব ছাড়া, কাজ করার ক্ষেত্রে দলের অন্যান্য প্রায় সকলের সহযোগিতা পেয়েছি। দলের অভিভাবকতুল্য নীতি নির্ধারকগণ এবং সবার উপরে শ্রদ্ধেয় নেত্রী, তারা যদি আমার কাজ ও শ্রমের মূল্যায়ন করেন, যদি মনে করেন, ছাত্রলীগের জন্য আমার আরো অনেক কিছুই দেবার আছে, আমি ছাত্রলীগের জন্য আমার পুরোটা দিতে সদাপ্রস্তুত আছি। আদর্শিক পিতার নিজ হাতে গড়া সংগঠনটাকে যে বড্ড ভালোবাসি।

    ফাস্ট বিডিনিউজ২৪/ কে এস

    Close